যদিও তানসেনের গানের সুরে“এ যুগে

আর বর্ষা নামে না, বছরে একটু

আগে আগেই দেশে বর্ষা দেবীর

আগমন ঘটেছে। আর সাথে সাথে

এসেছে হু (170) এর পাঠানো গগন করোনা ভাইরাসের ল্যাম্বডা (91709) ৩1 মনকে ছন্দিত বর্ষা নন্দিত করলেও

কথা স্মরণে_- রেখে এই বর্ধাতে

অবলম্বন করা প্রয়োজন।

মাসিক ই*গত্রিকা

কলম হাতে ডাঃ অমিত চৌধুরী, দীপঙ্কর সরকার, বর্ষ ৩, সংখ্যা সমীর দাস, গোবিন্দ -মোদক, -স্তৃতি জুন ২০২১

সরকার, সামিমা খাতুন, অমিত কুমার সাহা এবং পাগ্ডুলিপির অন্যান্য সদস্যরা... না বা সা প্রকাশনা

পাুলিপি (গল্প, কবিতা, গান, গদ্য

নাটকের আসর)

বিদদ্র.: লিটল ম্যাগাজিন হিসাবে মুদ্রিত এই পত্রিকাটির প্রথম প্রকাশ হয় ইং ১৯৭৭ সালে... 99170011101

যোগাযোগের ই-মেলঃ ০0108005870011010)571911.01

পায়ে পায়ে

মাদের “গুঞ্জন”, মাসিক ই-পত্রিকাটি দেখতে

দেখতে তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ করল। সকলের

ভালবাসায় সহযোগিতায় ইতিমধ্যেই আমাদের এই ই-পত্রিকাটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাঙালি পাঠক মহলে প্রভূত সন্মান বিশিষ্ট সমাদর লাভ করেছে। এই দুই বছরের যাত্রাকালে 'গুঞ্জন'-এর পাতাগুলি যেমন, অভিজ্ঞ, বয়োজ্যেষ্ঠ বরেণ্য লেখক লেখিকাদের কলমে ধন্য হয়েছে; তেমনি উদীয়মান প্রজন্মের ভাবনাও সমভাবে এই পাতাগুলিকে পরিপূর্ণতা প্রদান করেছে। "গুঞ্জন'-এর পাতাগুলিতে এই দুই প্রজন্মের চেতন মনন এক সুত্রে গ্রন্থিত করার ক্ষুদ্র প্রয়াস _ সকলের কাছে বিপুলভাবে প্রশংসনীয় হয়েছে। সকল ত্রষ্টার সৃষ্টিকে সাধুবাদ জানিয়ে গুজনের পাতাগুলিকে একইভাবে আরও অধিকতর সমৃদ্ধশালী করে তোলা হবে প্রতি মাসে। গুঞ্জনের তৃতীয় বর্ষের প্রারস্তে সকলকে জানাই আন্তরিক গ্রীতি শুভেচ্ছা সবাই সুস্থ থাকুন এবং ভালো থাকুন

(বিদ্র, - বর্তমান পরিস্থিতিতে অর্থাৎ লকডাউন, অর্থনৈতিক অবনতি, ক্ষীণ নেটওয়ার্ক প্রভৃতি কারণে আমাদের 'গুঞ্জন' ই-পত্রিকাটি বিগত কয়েক মাস ধরে যথা সময় প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে আপনাদের একান্তিক অনুপ্রেরণায় আপনাদের প্রিয় 'গুঞ্জন' এগিয়ে চলবেই।

বিনীতা __রাজশ্রী দত্ত, সম্পাদিকা, গুঞ্জন

গুঞ্জন _ জুন ২০২১

05557

আঠাগায়

রহস্য গল্পের - প্রাপ্তবয়স্ক পাঠকদের জন্য আর একটি অবশ্য পণনীয় গ্রন্থ “রহস্যের: অধ্যায়” প্রকাশিত ১০05555555-757455555959 পিসি আর সেই

রচনা। কলকাতার কলেজ 'অরণ্যমন'এর স্টল

থেকে বইটি সংগ্রহ-করতে ভুলবেন না।

বিলাল বক সুতি অহ,

চট /৭ নি, নিত ১৯৬২ ৫৪২৪

শিল্পীঃ রিত্বিকা চ্যাটার্জি বয়সঃ ১২ বছর

9 শিল্পীর লিখিত অনুমোদনে গৃহীত। নকল করা বারণ।

১৮010085158 8-0158555 515

টা . নমামি দেবী নর্মদে

ডাঃ অমিত চৌধুরী টট

চতুর্থ পর্যায় (8)

নি ৮য়ে পড়লাম। মাঠে চাষ হচ্ছে। একটা .... ঝুপড়ি থেকে আমাদের চা খাওয়ার অনুরোধ করলো একটি

ছেলে। আজ ২৬ শে অক্টোবর ২০১৬। একটু গল্প করে

| শুরু। গ্রামের মধ্যেই এসে পড়েছি। এখন

৯8 পঃ ৪০. _ নমামি দেবী নর্মদে পশ্চিম দিগ ন্তেনেমে এসেছে। মাঠের মাঝে এক মনি রের সামনে প্রচুর লোক সমাগম দেখে আমরা দাঁড়িয়ে পড়লাম, প্টির পাম বিয়া এত লোক দেখে ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। পড়ে শুনলাম এক

রিরমাকারী মৌনী সাধু এখানে চতুর বত করছেন। ভাণ্তারা হচ্ছে।

_ নমামি দেবী নর্মদে

রাবণের হী করতে দেরী হচ্ছে। আবার রাবণ অনেক কষ্ট করে মেক-আপ করেছে। তাই আরো একটু পরে বধ হতে চাইছে। রামকে স্টেজের বাইরে এসে সে

নূরোধই ক্রলো। যুদ্ধটা যেন একটু বেশি সময় ধরে লি যায় শূর্পণখার নাকে চোট লেগেছে, সে স্টেজে

চাইছে না। তাই হনুমানকে একটু বেশি সময় নাচতে ছিলো, শীতের রাত বাচ্চারা ঘুমিয়ে পড়েছে, তাই | তরফ থেকে বব পালা শেষ করতে

টে চলেছি।, না ঠিক চারজন নই, আমির রিনি একটা বাচ্চা কুকুর প্রথম থেকেই আমাদের সঙ নিয়েছে। পাণ্ডবরা যখন মতাপ্রস্থানের পথে যাচ্ছিলেন, ধর্মরাজ কুকুরের ছদ্মবেশে ওদের সঙ্গী হয়ে ছিলেন। এটা কি সেই

াবে গ্রাম বা ঘাট দেখতে পাচ্ছি না। বালির চরেই বিশ্রাম, নদীর খাওয়া। মৌনী মহারাজ মিষ্টি দিয়ে

ছিলেন ওটাই আমরা চারজন, না আবার ভুল করলাম - ধু ২২৮৮8:

(সঙ্গম ইউ:তিতী ৩০৩ বাড়ির সম জু

] ৬)

_ নমামি দেবী নর্মদে করিএকি-কীর? এত ধরমদরট। হারাছেত সুবদেখে বুঝলাম উনি খুবই অসন্তুষ্ট হলেন আমার অনুরোধ শুনে। রাতে ওনার আশ্রমে থেকে যাওয়ার কথা বললেন এবং বাঙালিরা আ. মাল না

নুভাষের রজত কথ বোর, উস

মুনির কথা কিছু জানতে চাইলাম। উনি শোনালেন, একবার মুনি বশিষ্ট একটি যজ্ঞের আয়োজন ছলেন। তাতে আমন্ত্রিত ছিলেন কাশ্যপ, ভরদ্বাজ, [তো মুনির ॥- যেকোন কারণেই এহোব ডঃ

মহারাজজি জানালেন দুপুরের ভোজন প্রসাদ তৈরী। সাইয়া করলাম। শুয়ে শুয়ে অনেক কথাই ভাবছি। সুদূর বাংলা থেকে গুরুর আশীর্বাদ আর মা নর্মদার কৃপা পাথেয় করে সছি, তাঁদের স্মরণ-মনন করতে পারছি।

[কটি কুকুরের আর্ত চিৎকারে চিন্তাসূত্র ছিনন হয়ে ড্রাতাড়ি উঠতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। তারই মধ্যে যতটা

নমামি দেবী নর্মদে

কিলোমিটার চলার পর একটি আধা গ্রামে এলাম শুনলাম গ্রামটির নাম শিবানী। যদিও সন্ধ্যে হয়নি তবুও এখানেই আজকের থাকার সিন্ধান্ত নিলাম। কারণ পরের আশ্রয় স্থল আরও দশ কিলোমিটার দূরে এবং শুনলাম জঙ্গলের ভিতর দিয়ে নাকি যাওয়া খুব নিরাপদ নয়। তাই ত্যাগী মহারাজের আশ্রমে আমরা আজকের রাত্রের মতো অতিথি। বেলা পড়ার সাথে সাথে ঠাণ্তার ভাবটা খুব বেড়ে গেল। সকালে খুব কুয়াশা এবং ঠান্ডার ভাগটাও খুব বেশি। কাল আমরা আসার আগে আরও চোদ্দো জন পরিক্রমাকারী এই আশ্রমের অতিথি হয়ে ছিলেন। তাঁরা দেখলাম কুয়াশার মধ্যে আগুন স্বেলে হাত গরম করছেন। আমরা ঘরের মধ্যে বসে কুয়াশা কাটার অপেক্ষায় রইলাম।

নর্মদে হর। ক্রমশ জর

১২ গুঞ্জন - জুন ২০২১

যা কখনও হয়না বাসী...

05055825055 8597-058 এ] 110005://91%11.1010107911.0017/0091/202818/10105-

০১১)

উৎস

শিকড় (গাঁ গেরামের গঞ্পো)*

দাদুর বাংলাদেশে আগমন (৭ম পর্ব) দীপঙ্কর সরকার (বোংলাদেশ)

কিছু অনিবার্ধ কারণবশত এই ধারাবাহিক উপন্যাসটি জানুয়ারি ২০২১ সংখ্যার পরে প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি |]

'আগের পর্বের শেষ পরিচ্ছেদঃ বাংলার এই রাপ; এই জীবনে কোমল হৃদয়ের সাতরঙ; মা, মাটি মানুষ, এঁকাতি এখানে এক হয়ে মেশে এই কাতির্কের নবারের দেশে।

এক গভীর কোন ঘোরে. চলে গিয়েছিলাম রাতের খাওয়া শেষে সে রাতে আর কথা না বাড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। বাড়ি যাওয়ার জন্য: খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠতে হলো। তড়িঘড়ি. করে দুজনেই তৈরি হলাম ।.এবার বাড়ি ফেরার পালা. এতো বছর বাইরে থেকেও. .একটি জিনিস রপ্ত করতে পারিনি তা. হলো বাড়ি ফেরার আনন্দ অভ্যাসে পরিণত করা। প্রতিবার বাড়ি ফেরার সময় ঠিক প্রথমবারের

ভগ কল হাল রা

১৪ গুঞ্জন - জুন ২০২১

উৎস

মতো অনুভূতি হয়।

রাজশাহী থেকে দুইভাবে আমাদের বাড়িতে যাওয়া যায়। বাসযোগে আর ট্রেনযোগে। দুঃখিত, একটু ভুল বললাম। আকাশযোগেও যাওয়া যেতে পারে। বাসযোগে যাওয়া সবচেয়ে সহজ যেকোনো সময় রংপুরের একটা বাসে উঠে পড়লেই হলো। তারপর বড়দরগাহ্‌ কিংবা শঠিবাড়িতে এরপর, একটা ভ্যান নিয়ে সোজা বাড়িতে খুব সিম্পল ইকুয়েশন। কিন্তু ট্রেনযোগে যাওয়া একটু কষ্টকর তবে বাসের তুলনায় উপভোগ্য কিছু উপভোগ করতে চাইলে তো কিছু আরাম-আয়েশ ত্যাগ করতেই হয়।

প্রথম কষ্টটা হলো খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠতে হবে। সকাল ৬:২০ তে ট্রেন। ভোরে যেন ঘুম দু'চোখের পাতায় জাঁকিয়ে বসে। ভোরঘুম বিসর্জন দেবার মতো বিড়ম্বনা জগতে আর দ্বিতীয়টি নেই। তারপর একটা অটো নিয়ে হোস্টেল থেকে সোজা -স্টেশন। খুব ভোর বলে আসল ভাড়ার সাথে আরো বাড়তি পাঁচ টাকা গুণতে হয়। ততক্ষণে আপনার -ভোরঘুম ভেঙে যাবে।..টট্রেন ছাড়ার পর দেখতে পাবেন সকালের অপরূপ সৌন্দর্য ।. ট্রেনের জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে পল্লীর. আসল সৌন্দর্য চোখে ধরা পড়ে। গ্রামে যাপিত জীবনের সকল নিদর্শন. কোথাও যেন পিছুটান দিয়ে শৈশবে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

গুঞ্জন _ জুন ২০২১ ১৫

উৎস

ট্রেনে একবার ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার হবেন-ই হবেন। অবশ্য বয়স্ক হলে সে রিস্ক নেই তবে আমার মতো ইয়াং হলে সেই রিস্ক উপেক্ষা করার ক্ষমতা আপনার নেই। আপনার ফুরফুরে মনটা নিমেষেই বিষপ্ন আকার ধারণ করবে হঠাৎ কমন জেন্ডারদের আগমনে তাই সাবধানতা অবলম্বনের জন্য হাতের মুঠোয় পাঁচ টাকা রাখবেন। টাকা দিতে না চাইলে চোখ কান খোলা রাখতে হবে। ওরা আসছে দেখে নিজের সিট থেকে একটু হাঁটা চলা করবেন তাতেও হাফ ছেড়ে বাঁচতে পারেন।

ওদেরকে বিদায় করার পর আপনি যখন পাঁচ টাকার শোকে মুঙ্ী যাচ্ছেন তখন এক পলক জানালার দিকে তাকিয়ে মনকে হালকা করতে পারেন। হঠাৎ দেখতে পাবেন ট্রেনে বাড়তি লোকের আনাগোনা আপনার সিটের তলায় একদল মানুষ অবৈধ মালামাল রাখছেন (এমনকি টয়লেট পর্যন্ত বাদ যায় না)। তখন বুঝবেন আপনি হিলিতে পৌঁছে গেছেন মালগুলো ভারত থেকে এসেছে। হিলি. পার হতে না হতেই দেখতে পাবেন কিছুটা দূরত্ব পর পর রন্দ্ুক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন বি.জি বি-র (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) সেনা। তাকালেই দেখতে. পাবেন তারকাটার বেড়া। আমাদের সব সর্বনাশের মুল দুর্দিকের দুটি জনপদ; মন মননে. এতোটুকু : অমিল নেই কিন্তূ. সেই কাঁটাতার আমাদের মধ্যে বিভাজন রেখা..টেনে দিয়েছে। তবে আমার বিশ্বাস কাঁটাতার দিয়ে মনের বিভাজন টানা যায় না।

১৬ গুঞ্জন - জুন ২০২১

উৎস

কাঁটাতার দেখে দাদুর দু'চোখ দিয়ে অশ্রুধারা বইছে। “জানো দাদুভাই, মনে পড়ছে সেই ভয়াল দিনের কথা যেদিন আমরা এই কাঁটাতার টপকে উদ্বান্ত হয়েছিলাম; আমরা পরিচয়হীন হয়েছিলাম সেদিনের কথা বড্ড মনে পড়ছে। রাতের আঁধারে বাবা-মার হাত ধরে এই হিলি দিয়েই আমরা ভারতবর্ষের মাটিতে পা রেখেছিলাম। একা না; একসঙ্গে অগণিত মানুষ ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের ঘাড়ে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো। যার যা সম্বল সেইটুকু নিয়ে আমরা ছুটছিলাম এক অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে।”

দাদু জানালার দিকে উদাস হয়ে প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের সেই গানটি ধরলেন:

তুমি এখন বাংলাদেশি, আমারে কও ইন্ডিয়ান।”

কেমন যেন তন্ময় হয়ে গানটা শুনছিলাম। বুকের হাহাকার স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিলো। ট্রেন এগিয়ে চলছে। আমরাও ব্যাগব্যাগেজ নিয়ে রেডি হ্চ্ছি।: নামতে হবে পরের স্টেশনে ক্রমশ জর

লেখকদের প্রতি আবেদন

আপনারা ফটো পাঠানোর সময় খেয়াল রাখুন, আমাদের যথাযথ মর সাইজঃ ৩৫ 1717 (চওড়া) % 8৫ 11017

১০৯১-৪০-৬২ 300 101 হওয়া চাই।

গুঞ্জন জুন ২০২১ ১৭.

অভীন্সা ভালোবাসা

স্তুতি সরকার

বযানী বড়ো বড়ো চোখ মেলে তাকিয়ে হাসছে (৫ দস পল অলিক তখনও সে হাতটা পরশের গায়ে অল্প ছুইয়ে রেখেছে পরশের শরীরের ওম নিচ্ছে তাড়িয়ে তাড়িয়ে কখনও কিন্তু এখনও গত রাত্রের স্মৃতি মনের মণিকোঠায় সযত্তে ধরে রাখার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে দেবযানী ভোরের রং ধরতে শুরু করেছে পূর্ব আকাশে। ওর হুস ফিরল যখন পরশ লিকার চা তৈরী করে নিয়ে এসে টি পটেতে রাখল। সন্ধ্যাদির কাছ থেকে ভিক্ষা চেয়ে নিলাম পরশদা। তুমিও আমাকে ক্ষমা করো ।” গরীব ঘরের ছেলে পরশ এক সময়ে ছিলো দেবযানীর গৃহশিক্ষক ওদের বাড়িতে আশ্রিত ছোটো থেকে খাওয়া থাকার বিনিময়ে সংসারে এটা সেটা ফাই ফরমাশ খেটে দেওয়া, বাজার দোকান করে দেওয়া, আর বি.কম পড়বার সময়ে অত্যন্ত ভালো রেজাল্ট করবার সুবাদে

১৮ গুঞ্জন _ জুন ২০২১

অভীল্সা

দেবযানীর গৃহশিক্ষক হিসাবে নিযুক্ত হয়ে - যত দিন না ধানবাদের কলিয়ারীতে কাজ পেয়ে চলে যায় তত দিন সে দায়িত্বের সঙ্গে ওকে পড়িয়ে গেছে। এই ছিল দেবযানীর সঙ্গে পরশের সম্পর্ক

পরশ অনেক দিন হল বিবাহিত। দুই ছেলে এক মেয়ের বাবা আসানসোলে পরশের শ্বশুর বাড়ি। বৌ ছেলে মেয়েকে শ্বশুরালয়ে রেখে সবে মাত্র দিন দশেক হলো ধানবাদে ফিরে এসেছে সে কাজে যোগ দিতে পরশের বউ পোয়াতী চতুর্থ বারের বাচ্চা হতে গেছে বাপের বাড়ী। এবারে শরীরটা যেন বড়ো বেশী খারাপ। পরপর পিঠোপিগি তিনটি বাচ্চা। ওরা চায়নি এই বাচ্চাটা পৃথিবীর আলো দেখুক কিন্তু পরশের বৌ সন্ধ্যার শরীরটা এতোটাই খারাপ হয়ে গেলো যে ডাক্তার ঝুঁকি নিতে চাইলো না। কোন তেড়েফুড়ে পৃথিবীর আলো দেখবে বলে ধনুর্ভাঙা পণ করেছে। নিয়তির কি খেলা!

সন্ধ্যা যখন শেষ চেষ্টা করবে বলে আসানসোলের হাসপাতালে গেছে, তখন দেবযানীর ঠাকুরমা ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানেই দেখা দেবযানীর সাথে পরশ এবং সন্ধ্যাদির। সব শুনে দেবযানী বলল, “যে আসছে, তাকে আমাকে দিয়ে দাও তোমরা আমার সন্তান হয়েই মানুষ হবে।” দেবযানীর অনুরোধে

গুঞ্জন _ জুন ২০২১ ১৯

অভীল্সা

এতোটাই আন্তরিকতা ছিল যে ওরা দুজনেই তার কথাটা ফেলতে পারলো না। কথা হলো বাচ্চাটা জন্মাবার পরে দেবযানী দত্তক নেবে ওকে অবিবাহিত থাকার ব্রত নিয়েছে। কাজেই দত্তক নিয়ে বাচ্চা মানুষ করায় কোনো অসুবিধা নেই। ওর নিজস্ব অডিট ফার্ম। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে ওদের অডিট করতে হয়। সেই সুত্রেই ধানবাদে আসা দেবযানীর এবারে পরের দিন সকালে চলে যাবে কাব্রাসগড়।

গত রাত্রিটা কিভাবে যে কাটলো দেবযানীর সেটা এখনও বোধগম্য হচ্ছিলো না। সারাদিনের কাজের পর দেবযানীর সরকারী গাড়ী হঠাৎ বিগড়ে গেলো সার্কিট হাউসে ফেরার সময় জিটি রোডের ওপরে তখন সন্ধ্যা নেমেছে। গাড়ীতে বসে দেবযানী ভাবছে কি হবে এখন? তবে জগন যখন আছে, নিশ্চয় কিছু একটা ব্যবস্থা করবে। খুব বিশ্বস্ত ড্রাইভার। হাইওয়ে দিয়ে ট্রাক, নানা রকমের গাড়ী সব হেডলাইট জ্বালিয়ে ছুটে যাচ্ছে অজানার পথে হঠাৎ জগন হেডলাইট জ্বালিয়ে যাচ্ছে এমন একটা গাড়ীকে হাত দেখিয়ে দাঁড় করায়। গাড়ীর আরোহী একজনই যিনি গাড়ী চালিয়ে যাচ্ছেন। ওনাকে অনুরোধ জানালো জগন যে খারাপ হয়ে যাওয়া গাড়ীতে একজন ম্যাডাম বসে আছেন। ওনাকে সার্কিট হাউস পর্যন্ত লিষ্ট দিতে হবে। গাড়ীর আরোহী আর কেউ নয়, স্বয়ং পরশ এইভাবেই দেখা হয়ে গেল

২০ গুঞ্জন - জুন ২০২১

অভীল্সা

দেবযানীর সঙ্গে পরশের সেই রাত্রে হঠাৎই। দেবযানীর সঙ্গের সুটকেসটা পরশের গাড়ীতে তুলে দিল জগন।

সার্কিট হাউসের সম্পূর্ণ বিপরীত দিকে পরশের বাড়ী হওয়ায় আর পরদিন ভোরেই কাত্রাসগড় যাবার আছে জেনে পরশ বলল ওর বাড়ীতেই রাতটুকু কাটিয়ে দিতে। যদিও সন্ধ্যা বাপের বাড়ীতে আছে, কিন্তু তাতে কোনো অসুবিধা হবেনা বড়ো বাংলো, অনেকগুলো অব্যবহৃত ঘর ওর ফ্যামিলি নিয়ে থাকে ওই সব ব্যবস্থা করে দিতে পারবে। জগনকে নিজের বাড়ীর এড্রেস দিয়ে, ওখান থেকেই পরশ জগনকে বলে দিল পরদিন সকালে দেবযানীকে তুলে নিতে।

বহুদিন পর এই ভাবে পরপর দুবার দেখা হয়ে গেল ওদের। একবার আসানসোলে কদিন আগেই আর একবার এখন। মনের মধ্যের এলোমেলো ভাবনা চিন্তা যেন জট পাকিয়ে যাচ্ছে। এই পড়ন্ত যৌবনে এসেও পরশের প্রতি ছোটোবেলার থেকে সেই অমোঘ টানটা থেকেই গেছে দেবযানীর। প্রথমে ভালোলাগা তারপর সেটা কবে যে একতরফা ভালোবাসায় রূপান্তরিত হয়েছে দেবযানীর মনে, ফলস্বরূপ কারোকেই তার মনে ধরলনা কোনোদিনই বিয়ে করার জন্য। প্রকৃত বিয়ের সময় পার হয়ে গেল নানা কাজের মধ্য দিয়ে। মাঝে মাঝে মনে চিনচিনে কষ্টটা জেগে

গুঞ্জন _ জুন ২০২১ ২১

অভীল্সা

ওঠে। অব্যক্ত কষ্টে কুঁড়ে কুঁড়ে খায় মনটা পরশের মন কোনোদিনই পড়তে পারেনি।

দেবযানী ক্লান্ত শরীর এলিয়ে দিলো ডিভানে। পরশ গেছে টুকিটাকি কাজগুলো গোছাতে দেবযানী পরশের সাহায্য করবার জন্য এগিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ধমক খেয়ে ফিরে এসেছিলো বসার ঘরে ইতিমধ্যে ড্রেস চেঞ্জ করে নিয়েছে সে। কিছু সময় পরে পরশ এসে বলল, “ডিনার রেডি”। রাত্রি সাড়ে নণ্টার মধ্যে ডিনার শেষ করে জমিয়ে কফি খেতে খেতে নানা গল্পে মশগ্তল হয়ে গেল ওরা দুজনে। কাজের লোক সব কাজ সেরে অনুমতি নিয়ে বাসায় চলে গেল। এখন শুধু ওরা দুজনে রাত বেড়ে চলে তার নিজস্ব ছন্দে। পরশ হঠাৎ জিজ্ঞাসা করে বসে, “দেবযানী তুমি বিয়ে করলেনা কেন? এখনও তো সময় আছে। কোনো ভালো ছেলে দেখে বিয়ে করে ফেলো।”

পরশের মুখে যেন সামান্য অনুরাগের সুর শুনে দেবযানী আবিষ্ট হয়ে পড়ে। গাঢ় স্বরে সে বলে, “আর ভালো লাগেনা গো এই জীবনটাকে বয়ে নিয়ে চলতে... তাইতো তোমার ধনটাকে নিজের করে পেতে চাইছি। যাকে তুমি বিসর্জন দিতে চেয়েছিলে।” একটু পরে কিছু একটা ভেবে নিয়ে হঠাৎ দেবযানী বলে “একটা অনুরোধ করবো তোমায়- সন্ধ্যাদির ড্রেসিং টেবিলের ওপর রাখা সিঁদুরকৌটো থেকে এক চিমটে সিদুর এনে আমার মাথাটা রাঙিয়ে দাও। বড়

২২ গুঞ্জন _ জুন ২০২১

অভীল্সা

হায়রাণ হতে হয় গো সমাজে অনুঢ়া মেয়েদের কথা দিচ্ছি তোমাকে, কাকপক্ষীতেও জানতে পারবেনা কার নামে আমি সিঁদুর পরি। তোমার আর কোনো দায়িত্ব থাকবে না আমার প্রতি। আর কখনই এখানে তোমার কাছে আমি আসবো না। কথা দিলাম।”

তারপর কি যে ঘটে গেল দেবযানীর জীবনে, সেদিন সত্যি সত্যিই ওর মাথাটা রাঙিয়ে দিয়ে পরশ বলল, “আই লাভ ইউ।” সমস্ত জীবনটা যেন মুহুর্তের মধ্যে তোলপাড় হয়ে গেলো। পরম পাওয়ার আবেশে আবিষ্ট হয়ে থাকলো দুজনে। দীর্ঘ রাত্রি নিঃশব্দ পদচারণায় অতিবাহিত হতে থাকল। দিপ্বিদিক জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল ওরা দুজনে, অবশ্য কিছু সময় পরে সধিদ ফিরে পেলো ওরা। ততক্ষণে যা ঘটবার তা ঘটে গেছে।

সারাদিন পরিশ্রমের পর রাত জাগার ক্রান্তি এতোটাই পেয়ে বসলো এখন যে বাকী কয়েক ঘণ্টা গভীর ঘুমে তলিয়ে গেলো ওরা দুজনে। ঠিক ভোর পাঁচটায় জগন এসে কলিং বেল বাজালো। দেবযানী রেডি হয়েই ছিলো কাত্রাসগড়ের অভিমুখে সে রওনা দিলো। রওনা দিলো বাস্তব জীবনের উদ্দেশ্যে।

বিশেষ ঘোষণা

গুঞ্জনে প্রতি মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্তই পরের মাসের) সংখ্যার জন্য লেখা গ্রহণ করা হয়। গুঞ্জন - জুন ২০২১

প্রকাশিত সংখ্যা - ২০১৯

সপ সা সপ

বাণ, জাল জালা রা যাই

শুল্ঞন শুঙ্ঞজন শুঞ্জন অহ বল

শা বা্দা হ্নাপদরশছ, রলপাস বাশ

কাল লিগ্যাল, জাগা সারা বাগ গালা

প্া্কাঞ্রা নাগিন পে কি, গান, পল চি শা আসর) হা এগ

৪88 87788671111181181818111 শা 1দঠশিি500891105)818691 তত 10/055]/501070/ 10/095111/202/

11000:/ /0101170,01001101015.00 81৪88 শিতি0100890065)818691 তি 88850688171 8018 88241

81886শ501600-960161888811 58 81দ887885111111781180865111 ভাতিই 88908888815 88511088618

90০51510585, 0০50 পত্রিকা 'গুঞ্জন'এর ২০১৯

11000://011]179.011101)101115.00 প্রকাশিত সব সংখ্যাগুলির

হি িতিশিনা তত চা পুনরায় দেওয়া হল।

নু নস শী ৬, টি দর ] রর ্্ এসব স্্পস্্প টু রশ উ৬ন/গড়ুন জন শতান &,

প্রকাশিত সংখ্যা - ২০২০

176010://0101109,011101700115,00107/055

18/10১/

17010://010117.01110170015.0017/055

10/111)//

1700://0171109.01101701715.0000/055 101/117)0/

1700://0171109.01101707015.00107/055 10/0905/

170005://010117.01101707715.0017/09 £10/189/

170105://0101179.011)1700715.0017/05 519/150//

1760105://01011079.0111)1700115,0017/05 314/58 রি

ফান, গড ৯"

170005:// টা মি 00917/095 510/555%1/

170005:// 0111716-117701015,0071/ 05 518/11)51/

170005://017117.010)1107115.00177/05

519/501717/

170005://0101179.01101701715,0017/05 510/0027/

110005://0171112.11110111115.00177

055101/111/0/

পাঠকদের সুবিধার্থে নিঃশুক্ক -105 পত্রিকা গুঞ্জন'এর ২০২০ তে 401 2500501 ই-লিঙ্ক এখানে দেওয়া হল।

ওজন গড়ান

সবাই জানাবেন এই আলোকচিত্রটি কেমন লাগল...

২৬ ৮১০০ ০৪০০৮১৬৮১৬

1.

রসি . / পার্টি র্‌ টি " ্‌ ? | 4) ধঃ ১৫৭ বাঃ ষ্ঠ বা সে

4

টি * পে

সা 4 চা;

১.

চা জি? ঠা) রঠ ) ্ঁ - ১7 ৮০ টা) নি . & ৬... 7) ম, «

উই

অধ্ধয়

মাটির ভালোবাসা সামমা খাতুন

তু বদলায় নিয়ম মেনে, থাক, না থাক বোঝার উপায়, বৃষ্টি আসবেই তার টানে, মাটি রয়ে যায় অপেক্ষায়। মাটির প্রাণ জ্বলে,

ভোলার চেষ্টা চলে,

বর্ষা-বাদলের বিরহ।

বুক ফাটে, মুখ ফোটে না, মাটি তো এমনিই বোবা, তার অন্তর ভরা বেদনা, খবর রাখে কে বা!

যখন ঝেঁপে বৃষ্টি আসে, মাটি ভেজে প্রাণ ভরে, জল কে ভালোবেসে। মেঘদুতের বার্তা পেয়ে, নবীনের পথ চেয়ে, সে ভোলে সব রান্তি। সর

২৮ গুঞ্জন _ জুন ২০২১

সবিনয় নিবেদন

“গুঞ্জন” কেমন লাগল তা অবশ্যই আমাদের জানাবেন। আর 055527-877555057905534 ই-মেল" (600906091000011010)517911.07) পাঠিয়ে দিন (0৮450771৮৮5 একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবিও অবশ্যই থাকা চাই - সাইজঃ ৩৫ 1717 (চওড়া) % 8৫ 17] (উচ্চতা), 075 300 টা 15554751255] অবশ্যই আপনার নিয়মিত উপস্থিতি একান্ত প্রার্থনীয়। তবে ৮৮510555555555555508

শুভাগমন

টাপুর টুপুর বৃষ্টি নুপুর

দোলা ভট্টাচার্য

কখন আসবে বৃষ্টি? ভোরের কুসুম রঙা সূর্যটা

ধীরে ধীরে চলে গেল মেঘের আড়ালে এলোমেলো উতলা সমীরণ,

কোন সুদূর থেকে বয়ে আনে বৃষ্টির ঘ্বাণ।

মল্লার রাগে বেজে ওঠে আকাশের বীণা,

মধ্যদিনে নামে বৃষ্টি অবিরল ধারে।

সারাটা দুপুর ধরে শুনি জলতরঙ্গ সুর,

টুপটাপ বৃষ্টির নুপুরের ধ্বনি।

কেটে যায় দিন, সন্ধ্যা ঘনায় ইমন কল্যাণে

আজও চলে তার খোঁজ...

প্রিয়তমা! কোথায় তুমি!

প্রিয় মিলনের লাগি, আজও যেন ছুটে চলে রাধা, অভিসার সজ্জা তার অঙ্গ খানি ঘিরে।

বিজলীর ক্ষণিক প্রভায় খুঁজে নেয় তার পথের দিশা। উড়ে যায় বসনাঞ্চল তার দুরন্ত বাতাসে,

৩০ গুঞ্জন - জুন ২০২১

শুভাগমন

মসীলিপ্ত আকাশের পানে চেয়ে

করুণ মিনতি তার _ ওগো বৃষ্টি,

সযত্বে রচিত মোর সঙ্জাখানি, দিওনা গো ধুয়ে, ওগো বাতাস, হোয়ো না গো নির্দয় এত,

এটুকু বসন মোর নিও না উড়ায়ে, রাখো মোর লাজ।

সে ব্যাকুল বাঁশরী আর বাজে না তো যমুনার কুলে, থেমে গেছে আজ

মল্লার তানে আর কাঁদে না বাতাস। বৃষ্টি তবু আসে আজও রিমঝিম সুরে বাজে তার নুপুরের বোল।

বরষে শান্তির ধারা প্রাণে,

তাপদহনে।

বৃষ্টি তবু আজও আসে।

গুঞ্জন _ জুন ২০২১ ৩১

আনন্পধারা

বর্ষা বরণ সমীর দাস

তপ্ত জ্বলন্ত ধরা নির্মেঘ আকাশে

ভীষণ দহন খতু শেষ হয়ে আসে।

অবশেষে নীলাকাশ মেঘে মেঘে ছায় অস্বুবাহ বারিবাহ বারি বারতায়।

ক্ষণে ক্ষণে স্বনে স্বনে তারা গরজায় কালো মেঘে ছবি আঁকে বিজুরি রেখায়। অবিরত ধারাপাত ধরণী ভাসায়।

ভীল্ম গ্রীষ্মকাল শেষে বরষা এসেছে পিয়াসী তাপসী পৃথ্বী উল্লাসে মেতে... সিক্ত সিঞ্চিত ধরণী বর্ষাগীতি গায়।

আনন্পধারা বহে যে আকাশে বাতাসে বর্ষণে বরণে মাতি আষাটের মাসে

লেখকদের প্রতি আবেদন আপনারা ফটো পাঠানোর সময় খেয়াল রাখুন, আমাদের

যথাযথ ফটোর সাইজঃ ৩৫ 1111 (চওড়া) % ৪৫ 1117 (উচ্চতা); রিসল্যশনঃ 300 07] হওয়া চাই।

গুঞ্জন _ জুন ২০২১

সবাই জানাবেন এই আলোকচিত্রটি কেমন লাগল...

১০৩০৩০৮১৬৮৬, ৩১৩,

বর্ষার বিড়ম্বনা

প্রণব কুমার বসু

যায় জল জমে রাস্তাটা থৈ থৈ... চারিদিকে খুঁজে দেখি ছাতাখানা গেল কই! এক হাতে ছাতা নিয়ে এক হাতে জুতো গরুটাও রেগে গিয়ে মারে বুঝি গুতো!

সাবধানে হেটে যাই পাঁচুদার দোকানে গুলতানি চলছে যে দেখলাম ওখানে।

ছাতা রেখে যেই ছাড়ি সিগারেট ধোঁয়াটা

টপ করে মাথাতেই পড়ে জলের ফোঁটাটা রেগে গিয়ে ছুঁড়ে ফেলি সিগারেট জলেতে মাথা ভরা জল নিয়ে ফিরে আসি বাড়িতে।

“পার্গুলিপি' ব্যাপারে আপনাকে সহায়তা করতে পারে। বিশদ বিবরণের জন্য যোগাযোগ করুনঃ

সেলফোনঃ +৯১ ৯২৮৪০ ৭৬৫৯০

ই-মেলঃ ০017690099170001110100)517911.001

৩৪ গুঞ্জন - জুন ২০২১

দুই প্রজন্মের দর্শনের ওপর ভিত্তি করে, বর্তমানের কিছু চিত্র শুধু ভাষার মাধ্যমে একত্রে উপস্থাপন করেছেন দুই প্রজন্মের দুই কবি। আধুনিক কবিতা প্রেমীদের জন্য একটি অসামান্য কবিতা সংগ্রহ। প্রাপ্তিস্থলঃ 1) ৬/৬/৬/.0101911.০017 (5981:011 % ০005: 0001-100)0171161-1-90599811)

2) 1711911: 001718000917001111010)5111911.00177

চোরাম্রোত অমিত কুমার সাহা

বিকেলে বৃষ্টি আসুক ভাসিয়ে দেওয়া যাবে।

একের পর এক নৌকো, মনের তাকে জমিয়ে রাখা

সব ধুলো-মাখা কাগজ দিয়ে

অচেনা স্রোতে সঙ্গী হবে। কোনো এক “কৃষ্ণকলি ।, মেঘ-ধোঁয়া জল তখনও টলটলে;

শুধু সেই জলে পথ হারাবে,

ফেলে আসা গোটা বত্রিশ ভ্রান্ত বসন্ত। সময়ের চোরাস্রোতে যেমন হারিয়ে যায় জীবনের এক একটি জলজ্যান্ত অধ্যায়; বরাবর, এক অদৃশ্য নিয়মে ।। ্র

আপনি কি আপনার কোম্পানির উৎপন্ন পণ্যের বা পরিসেবার কথা সবাইকে জানাতে চান? গুঞ্জন” আপনাকে ব্যাপারে সাহায্য করতে পারে... সেলফোনঃ +৯১ ৯২৮৪০ ৭৬৫৯০

ই-মেলঃ 00770900097) 00111])1 07)071)11.0017) ৩৬ গুঞ্জন _- জুন ২০২১

1700105://৬1৬/%.811182,010.10/510/01061- 150175/8194223695/16175010-010-175%/_1700915-007778001701

1017-19৬

ঠিকানাঃ আদি নাথ ব্রাদার্স, শ্যামাচরণ দে স্ট্রিট কলকাতা - ৭০০০৭৩ গু দূরভাষঃ +৯১ ৩৩ ২২৪১ ৯১৮৩

বর্ষা মানে বর্ষা মানে বর্ষা মানে বর্ষা মানে বর্ষা মানে বর্ষা মানে বর্ষা মানে বর্ষা মানে বর্ষা মানে বর্ষা মানে বর্ষা মানে বর্ষা মানে বর্ষা মানে বর্ষা মানে বর্ষা মানে বর্ষা মানে বর্ষা মানে ৩৮

বর্ষা-রাগ বর্ষা মানে গোবিন্দ মোদক

্যামানে আকাশ জুড়ে মেঘের ঘনঘটা, বর্ষা মানে বৃষ্টি দারুণ বড়ো বড়ো ফোঁটা! বর্ষা মানে শোঁ-শোঁ হাওয়া অঝোর ধারায় বৃষ্টি,

পৃথিবীতে নতুন নতুন সৃষ্টি! শুঙ্ক মাটি পাবে নবীন জল, উত্তিদেরা পাবে নতুন বল! টিনের চালে টাপুর টুপুর ছন্দ! মনের মাঝে গুনগুনানো গান, অসময়ে উপুড়-ঝুপুর ম্লান! পাড়ায় গলি ভিজে ভীষণ কাদা, একই ছাতায় বোনটি আর দাদা! হঠাৎ করেই অফিস বাবু নাকাল, সারাটা দিন রোদের ভারি আকাল! নদীর পুঁটি অতিশয় তাজা! জমা জলে মশার বংশ বৃদ্ধি, ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গুর কার্যসিদ্ধি! কত স্মৃতি কত নস্টালজিয়া, মন খারাপ উদাস করা হিয়া!

গুঞ্জন - জুন ২০২১

বর্ষা-রাগ বর্ষা মানে রবীন্দ্রনাথ আর বর্ষার গান, বর্ধা মানে বুক দুরু দুরু নদে এলো বান! বর্ষা মানে ঘরে বন্দি কবি আর পড়ুয়ারা, বর্ধা মানে ব্যাঙের ডাকে ভরে সারা পাড়া! বর্ষা মানে খতুর রাণী, জল থে থে শ্রাবণ, বর্ষা মানে মনেতে ভয়! এলো বুঝি প্লাবন! বর্ষা মানে শীর্ণ নদী মস্ত ফুলে-ফেপে, বর্ষা মানে শিশুরা গায়- “আয় বৃষ্টি বৌপে!” জছ

৯৫এরা আমার সহকর্মী আমি তাদের সাথে মাস্ক ছাড়াই কথা বলতে পারি।

৯৫ এরা আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু তাদের সাথে

গর 17 মাস্ক ব্যবহার শারীরিক দূরত্ব নিত বজায় রাখার প্রয়োজন নেই।

৯৫ উনারা আমার আত্মীয়, তাদের সাথে 5 মাস্ক ছাড়াই মেলামেশা করা ঘায়। উপরের তিনটি ভুল করা থেকে বিরত থাকুন

05512-0580745807550157 সমাজকে রক্ষা করুণ।

গুঞ্জন - জুন ২০২১ ৩৯

থা" 581705715৮5

সু. রি: সে স্্ঠ সপ সী ্্্পস্ সপ সস সপ সপ

9551118১(5110181218:0511111

৪256 8678 1867517267১, [5751977158১ 081175

০৬৮555556 765711552551511510025578 27661177661) 74ট৫1 2651111151৮

ছা 6ট,$১0117551111878515157562115

$6111৮-851751৮৮1 8৮8 85)5৮5 6)$711688|

80510186111 1578 50111110115৮-111 8০111111581), 128211110)8 01115111757

১শ8111111111111,110175286741111 85111 ৬1: 791 93222286831 ৬৬1)9(54৯1)]1): +91 777১99১3977